দেশের সকল মন্দিরে আগামী ১৫ আগষ্ট জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের  ৪৫তম শাহাদাৎ বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষ্যে প্রার্থনার জন্য হিন্দুধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের পক্ষ হতে আহ্বান মাননীয় প্রধানমন্ত্রী হিন্দুধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টে অনুদান প্রদানের জন্য দানশীল সকলের নিকট আহ্বান জানিয়েছেন। শ্রী দেবব্রত দত্তগুপ্ত, কুমিল্লা কর্তৃক কুমিল্লা বারপাড়ায় দোতলা ভবনসহ ৩৭ কাঠা জায়গা হিন্দুধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টকে দান করেছেন।”করোনা” প্রতিরোধে ধর্মসভা বা ধর্মীয় জনসমাগম না করতে অনুরোধ করা হচ্ছে।  ট্রাস্টের সকল তথ্য জানতে ওয়েবসাইট ও ফেসবুক পেইজ দেখুন্ সরকারি ব্যবস্থাপনায় দেশে/বিদেশে তীর্থ  করতে ওয়েবসাইট হতে ফরম ডাউনলোড করে আবেদন করুন  ট্রাস্ট হতে অনুদান গ্রহণে কোন অর্থ/ফি দিতে হয় না মন্দির ভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রম ৫ম পর্যায়ে ২১৬৫১.৯৭ লক্ষ টাকা ব্যয়ে সারাদেশে ৬৪টি জেলায় ৪৯২টি উপজেলার ৬৪৫০টি শিক্ষাকেন্দ্রে ৫,৭৩,৭৫০ জন ছাত্র/ছাত্রীর শিক্ষা কার্যক্রম জুলাই ২০১৭ হতে চলমান   সরকারের রাজস্ব বাজেটের আওতায় ২২৮.৬৯ কোটি টাকায় সমগ্র দেশে সনাতন ধর্মালম্বীদের জন্য ১৮১২ টি মন্দির সংস্কার কার্যক্রম চলছে। রাজস্ব বাজেটে ৯.৭৫৬৫ কোটি টাকায় শ্রীশ্রী ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির ও শ্রীশ্রী সিদ্ধেশ্বরী কালী মন্দির  উন্নয়ন ও সংস্কার প্রকল্পগুলো বর্তমানে  হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্ট, ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।    দুঃস্থ হিন্দু ও মন্দিরে সহায়তা গ্রহণ, মন্দিরের নাম নিবন্ধন এবং দেবোত্তর সম্পত্তি তালিকাভুক্ত করতে নির্ধারিত ফরম www.hindutrust.gov.bd ওয়েব সাইট হতে ডাউনলোড ও প্রিন্ট করে প্রয়োজনীয় তথ্য সহ আবেদন করুন। করোনায় মৃত হিন্দুদের সৎকার করতে অসুবিধা হলে ০১৫৫৬৪৬৪৯৮৯ বা ০১৭১৬৫০২১৫৯ নম্বরে ফোন করুন

মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ১০ মার্চ ২০১৯

সম্মানিত সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান মনোরঞ্জন শীল গোপাল বলেন-


প্রকাশন তারিখ : 2019-03-10

শ্রেষ্ঠ শিক্ষক, শ্রেষ্ঠ শিক্ষার্থী ও বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানেঃ এমপি গোপাল

শনিবার, ০৯ মার্চ, ২০১৯

   

Loading

বাংলাদেশ হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের সহ-সভাপতি মনোরঞ্জন শীল গোপাল এমপি বলেছেন, আমার প্রথম কাজ হবে হিন্দু কল্যাণ ট্রাস্টকে হিন্দু ফাউন্ডেশনে পরিণত করা। এটা সংবিধানে পরিণত করলে এর পরিধি অনেক বেড়ে যাবে।

Loading

ক্ষমতাও অনেক বেড়ে যাবে।

অর্থাৎ এর কার্যক্রম অনেক বেশি বেড়ে যাবে।

Loading

পাশাপাশি শিশুকে একজন অসাম্প্রদায়িক হিসেবে গড়ে তোলার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মন্দির ভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রম। এখানে প্রাক প্রাথমিক শিক্ষার পাশাপাশি যে মন্দির ভিত্তিক শিক্ষা দেয়া হয়।

গীতা পাঠ শিখানো হয়। তারা যেন সাম্প্রদায়িক না হয়ে অসাম্প্রদায়িক হয়, এ ব্যাপারে তাদের সচেতন করতে হবে প্রথম থেকেই। কারণ সকল সম্প্রদায়ের রক্তের আলপনায় আমরা বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্র পেয়েছি।

৯ মার্চ শনিবার সকালে মন্দির ভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রম, হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্ট জেলা শাখার আয়োজনে শিশু একাডেমি হলরুমে অনুষ্ঠিত মন্দির ভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রম-৫ম পর্যায় শ্রেষ্ঠ শিক্ষক, শ্রেষ্ঠ শিক্ষার্থী ও বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

বক্তব্য শেষে শ্রেষ্ঠ শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের পুরস্কার ও সনদ এবং বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন প্রধান অতিথিসহ অন্যান্য অতিথিবৃন্দ।

জেলা প্রশাসক মো. মাহমুদুল আলম এর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রীষ্টান ঐক্য পরিষদ জেলা শাখার আহবায়ক সুনীল চক্রবর্তী ও সদস্য সচিব রতন সিং, জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ফারুকুজ্জামান চৌধুরী মাইকেল, বাংলাদেশ শিশু একাডেমি জেলা শাখার শিশু বিষয়ক কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলাম, বাংলাদেশ পুজা উদযাপন পরিষদ জেলা শাখার উত্তম কুমার রায়। শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন মন্দির ভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রম, হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্ট জেলা শাখার সহকারী প্রকল্প পরিচালক শাহ মো. মশিউর রহমান।

এমপি গোপাল আরো বলেন, এমন কোন ধর্মগ্রন্থ নেই, যে ধর্ম গ্রন্থ তাকে সাম্প্রদায়িক করে। বরঞ্চ মানব সেবায় উদ্বুদ্ধ করে মনুষ্যত্বের বিকাশ ঘটায়। আমাদের এই বিকাশের জন্য, শিশুদের মনস্তত্ত্বে বিকাশের জন্য এবং শিশুদের মানুষ করবার জন্য আমার মনে হয় যে, আমাদের এই প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখতে হবে। ১৪ সালের নির্বাচনের মত ১৮ সালের নির্বাচনে মন্দিরে হামলা করার সাহস পায়নি সন্ত্রাসীরা। অধিকাংশ হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যে একটি প্রবণতা আছে কিছু হলে তো আমাদের ইন্ডিয়া আছে।

আমাদের মনে রাখতে হবে। ইন্ডিয়া আমাদের দেশ নয়। বাংলাদেশ আমাদের দেশ। বাংলাদেশে স্বাধীন করার জন্য ৩০ লক্ষ মানুষ রক্ত দিয়েছে। ২ লক্ষ ৬৯ হাজার মা-বোন তাদের সবচেয়ে বড় সম্পদ ইজ্জ্বত হারিয়েছে। ৩০ লক্ষ মানুষের মধ্যে সকল সম্প্রদায়ের রক্তের আলপনায় আমরা বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্র পেয়েছি।

 


Share with :

Facebook Facebook